Baishe Srabon (2011)

An ex-cop is hired to track down a serial killer who carries out his killings according to Bengali poetry.

8.1

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp
Share on linkedin

Movie

A serial killer who is after innocent victims terrorises the city of Kolkata as a result of his antics. The police seek the help of a retired officer to unravel the case and find the perpetrator.

Baishe Srabon (2011)




বাংলা চলচ্চিত্রেরর প্রতি অনাগ্রহ, অনাশক্তি অনেকেরই আছে। থাকাটা অস্বাভাবিকও নয়। ভালো ভালো সিনেমা থাকতে অধিকাংশ বস্তাপঁচা সিনেমা তৈরি করে বিষিয়ে তোলা ইন্ডাস্ট্রির সিনেমা কেনই বা দেখবেন? যাকগে এসব কথা। অাজ ফিরবো ২০১১ তে। কলকাতা শহরে আজব কিছু ঘটছিল। সুকুমার, জীবনানন্দ, শক্তি চট্টোপাধ্যায়, বিনয় মজুমদার-দের মতো কবির কবিতার একখন্ড আর সাথে এক একটা লাশ। কবিতাংশের সাথে খুন করার পদ্ধতি এবং ভিকটিমের সামঞ্জস্যতা দেখা যায়। আর ভিকটিম হয় নিচু শ্রেণীর লোকজনেরা যেমনঃ ভিক্ষুক, বেশ্যা, পাতি গুন্ডা ইত্যাদি; যাদের মারা যাওয়াতে হয়তো কারো কিচ্ছু এসে যেত না। কিন্তু ঐ মাস্টারমাইন্ড সিরিয়াল কিলার খুনের ধরণ আর একই সাথে কলকাতা পুলিশের ঐই কেসের কোনো সুরাহা করতে না পারা (মূলত কোনো পোক্ত ক্লু-ই পাচ্ছিলো না) মানুষকে আতংকিত করে তোলে।



কেসটি প্রথমে কেবল পুলিশ অফিসার অভিজিতের (পরমব্রত) অধীনে ছিল। কিন্তু যখন দেখা গেল তেমন কোনো উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হচ্ছে না, তখন কেসটির দায়িত্ব দেয়া হলো এক্স পুলিশ অফিসার প্রবীর রায়কে (প্রসেনজিৎ) এবং অভিজিৎ সহকারী হিসেবে ছিল।

প্রবীর রায় সম্পর্কে একটু ধারণা দেয়া যাক। ক্লাসে কিছু ছাত্র থাকে যারা সকল বাঁদরামির হোতা কিন্তু রোল নাম্বার ১। প্রবীর রায় অনেকটা এরকম। খুব বদমেজাজি, রগচটা, ক্ষ্যাপা, একগুঁয়ে আর আলগা নিয়মের ধার না ধারা টাইপের কিন্তু প্রচন্ড ট্যালেন্টেড এবং সাকসেসফুলও। গোল্ড মেডেল পাওয়া পুলিশ অফিসার। তবে ঐ যে ক্ষ্যাপা স্বভাব, যার কারণে তিনি সমালোচিতও অনেক। অপরাধী মানে তার কাছে শুধুই অপরাধী; এর জন্য কোনো প্রমাণের দরকার নেই, সাক্ষীর দরকার নেই। আর তাদের টর্চারও করতেন অমানবিকভাবে। অপরাধীদের আতংকের নাম ছিল প্রবীর রায় চৌধুরী। কিন্তু শেষটা তার সুখকর হয়নি। একজন অপরাধীকে এনকাউন্টার করার অপরাধে তাকে পুলিশ ফোর্স থেকে বহিষ্কার করা হয় এবং সন্ত্রাসীরা তার স্ত্রী সন্তানকে হত্যা করে। এভাবে একজন সুপার কপ প্রবীর চৌধুরী হারিয়ে গিয়েছিল।



অভিজিতের বান্ধবী অমৃতা (রাইমা সেন)। তারা লিভ ইন সম্পর্কে আছে। অমৃতা একজন টিভি রিপোর্টার। অমৃতার মা অভিজিৎকে খুব একটা পছন্দ করেনা, বরং অমৃতার সহকর্মী সূর্যকে (আবির) পছন্দ করে। আবিরও অমৃতাকে একতরফা ভাবে ভালোবাসে। অভিজিৎ সারাদিন সিরিয়াল কিলারের কেসটা নিয়ে ব্যস্ত থাকে বলে এবং কোনো সুরাহা করতে না পারা ব্যর্থতার প্রভাবে একটু খিটখিটে হয়ে গিয়েছিল। এজন্য তাদের প্রায়শই ঝগড়া হতো এবং অমৃতা অভিজিতের বাসা ছেড়ে নিজের বাসায় চলে যেত। অভিজিৎ সূর্যের ব্যাপারটা জানতো। তাদের সম্পর্কের বোঝাপড়ার ঘাটতির সুযোগটা হয়তো সূর্য নিয়ে নিবে এটা নিয়ে নিবে এ নিয়েও ডিপ্রেসড থাকতো অভিজিৎ।



মুভিতে আরেকটি উল্লেখযোগ্য চরিত্র হলো নিবারণ চক্রবর্তী (গৌতম ঘোষ)। একজন ক্ষ্যাপা কবি এবং ১৯৬০ সালের হাঙরিয়েলিষ্ট বা হাংরি মুভমেন্টের এক সৈনিক। রাতের বেলায় কলকাতার স্তব্ধ রাস্তায় কবিতা আবৃতি করে বেড়ান ইনি। ইনাকে নিয়ে আর বেশি কিছু বলবোনা।

অনেক কিছু বলে ফেললাম। তবুও মনে হয় কিছুই বলিনি। মুভিটা মূলত একজন সিরিয়াল কিলারকে নিয়ে। কিন্তু এর সাথে পাবেন একজন ব্যর্থ কবির গল্প, একজন পুলিশ অফিসারের প্রত্যাশা আর প্রাপ্তির বিরাট ফারাক, একজন সত্যিকারের প্রেমিক কিন্তু সময়টা তার বিপরীতে থাকায় নিজের প্রেমিকাকে হারানো ভয়, আরেকজনের একতরফা ভালোবাসা; কি নেই বাইশে শ্রাবণে?

আমি কোনো মুভির রিভিউ গানের লাইন দিয়ে শুরু করিনা। কিন্তু এই রিভিউটা শুরু করছি কয়েকটা লাইন দিয়ে। এই মুভির প্রত্যেকটা গান লা জবাব। মনে গেঁথে যাওয়ার মতো। সঙ্গীত পরিচালনায় ছিলেন আমাদের সবার প্রিয় অনুপম রায়।

তাই বাংলা মুভির প্রতি যুক্তিসংগত অনাগ্রহটাকে একপাশে রেখে দিয়ে এখনই দেখে ফেলুন ১২০ মিনিটের একটি ফুল প্যাকেজ “২২শে শ্রাবণ।”

লিখেছেনঃ Imtiaj Ahmed Emon



মুভিটির ডাউনলোড লিংক নিচে দেওয়া আছে। চাইলে দেখে নিতে পারেন অসাধারণ মুভিটি।

অন্যান্য মুভির জন্য ভিজিট করুন এই লিংকে। 

Baishe Srabon (2011)-cinemabaaz.xyz

Country: India

Director: Srijit Mukherji

Writter: Annapurna Basu (subtitles), Goutam Ghose (poetry)

Actors: Prasenjit Chatterjee, Parambrata Chattopadhyay, Raima Sen

Duration: 2h

العربيةবাংলা简体中文NederlandsEnglishFilipinoFrançaisDeutschहिन्दीItaliano한국어Bahasa MelayuPortuguêsРусскийEspañol